ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম উপসর্গে একদিনে ৬ মৃত্যু, ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি রোজার পরই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর কারণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ মাতুয়াইলে জিসান হত্যা: শেখ হাসিনা-জয়-ওবায়দুল কাদেরসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল এবার রাবি শিক্ষিকার ব্যাগ টান দিলো ছিনতাইকারী শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল নবম পে স্কেল: ৩০ শতাংশ দিয়ে শুরু, বেতন বাড়বে ৪ ধাপে আপাতত একনেকে উঠছে না মেট্রোরেলের দুই প্রকল্প

যমুনার পানি বাড়ায় বিভিন্ন স্থানে তীব্র ভাঙন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৬ মে, ২০২২,  6:06 PM

news image

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। এতে শাহজাদপুর, কাজিপুর এবং চৌহালি উপজেলার নদী তীরবর্তী মানুষের ঘরবাড়ি, আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন আতংকে নির্ঘুম রাত কাটছে নদী পাড়ের মানুষের। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সঠিক সময়ে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু না করায় এ ভাঙন। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল আর উজান থেকে বয়ে আসা পানিতে সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি গত কয়েকদিন ধরে বাড়ছে। এতে শাহজাদপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন অনেকেই। আবার কেউ কেউ আতংকে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছেন অন্যত্র। ছেলে সন্তান আর বয়স্কদের নিয়ে ভাঙন আতংকে নির্ঘুম রাত কাটছে নদী পাড়ের মানুষের। এদিকে ভাঙন রোধে ইতোমধ্যে এখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রায় সাড়ে ৬শ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। কিন্তু মার্চ মাসে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ক অর্ডার পেলেও এখনো স্থায়ী বাঁধের কাজ শুরু করেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি আর উদাসীনতার কারণে দেখা দিয়েছে এ ভাঙন। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশল শফিকুল ইসলাম জানান, নদীর ডান তীর সংরক্ষণের কাজ চলমান রয়েছে। ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে নদীতে বালিভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে জেলার শাহজাদপুর এবং চৌহালি উপজেলার অর্ধশত বাড়িঘর ছাড়াও ফসলি অনেক জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম