ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম উপসর্গে একদিনে ৬ মৃত্যু, ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি রোজার পরই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর কারণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ মাতুয়াইলে জিসান হত্যা: শেখ হাসিনা-জয়-ওবায়দুল কাদেরসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল এবার রাবি শিক্ষিকার ব্যাগ টান দিলো ছিনতাইকারী শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল নবম পে স্কেল: ৩০ শতাংশ দিয়ে শুরু, বেতন বাড়বে ৪ ধাপে আপাতত একনেকে উঠছে না মেট্রোরেলের দুই প্রকল্প

দুই সন্তানের জননী সাথে নবম শ্রেণির ছাত্রের বিয়ে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৫ জুলাই, ২০২২,  4:29 PM

news image

গাইবান্ধার সাদল্লাপুরে নবম শ্রেনীর এক স্কুলছাত্রকে বিয়ে করে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছেন মোসুমী আক্তার নামে দুই সন্তানের জননী। রোববার (২৪ জুলাই) উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামে ওই নবদম্পতিকে দেখার জন্য উৎসুক লোকজন বাড়িতে ভিড় করে। স্থানীয়রা জানায়, স্বামীর সাথে মনোমালিন্য না হওয়ায় বেশ কিছুদিন ধরে বাবা মহিরউদ্দিনের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন দুই সন্তানের জননী মৌসুমী আক্তার। এর মধ্যে ফেসবুকে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পাওটানা হাট গিরগিরি গ্রামের ফারুক মন্ডলের ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র সোহেল (১৫) সঙ্গে পরিচয় হয় তার। নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে সোহেলের সাথে প্রেম করে মৌসুমী আক্তার। এক পর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সোহেল প্রেমিকা মোসুমী আক্তারের সাথে দেখা করার জন্য সাদুল্লাপুরে চলে আসে। দেখাদেখির পর মৌসুমী তার প্রেমিক সোহেলকে নিয়ে স্থানীয় এক কাজীর বাড়িতে গিয়ে পূর্বের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে নতুন প্রেমিক সোহেলের সঙ্গে বিয়ে রেজিষ্ট্রি করে। পরে সন্ধ্যায় তাকে বাড়িতে নিয়ে আসলে সোহেল জানতে পারে মোসুমী আক্তারের ২টি সন্তান আছে। প্রতারণা বুঝতে পেরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা সোহেলকে আটকে রেখে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিয়ে পড়িয়ে দেয়। ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মিন্টু জানান, অসুস্থতার কারণে আমি ঢাকায় অবস্থান করছি তবে লোকমুখে বিয়ের বিষয়টি শুনেছি। তবে সালিশ বৈঠকে কোনো ইউপি সদস্যকে ডাকা হয়নি। সূত্র : যমুনা নিউজ 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম