ঢাকা ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাব-রেজিস্ট্রার প্রদীপের এত সম্পদের উৎস কি ‘আ. লীগের ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন নেই’ বললেন নতুন মামলায় গ্রেপ্তার ফিরোজ অস্ট্রেলিয়ায় ডেপুটি মেয়র হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এলিজা রহমান অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত, ১ কর্মকর্তা আহত সাবেক এমপি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী মারা গেছেন বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট বাঁধনের ওপর হামলা ঘৃণ্য অপরাধ: রিজভী ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে, সেপ্টেম্বরের শেষে প্রকোপ সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের একগুচ্ছ কর্মসূচি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: অজ্ঞাত শহীদদের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ জানুয়ারি, ২০২৬,  6:27 PM

news image

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাতনামা ১১৪ জন শহিদের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এই মরদেহগুলো রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক, ডিএনএ ও মেডিকেল ফরেনসিক টিম তাদের পরিচয় শনাক্ত করেছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নিহত নারী ও পুরুষ শহিদের অজ্ঞাতনামা মরদেহগুলো রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক, অজ্ঞাতনামা শহিদের পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই কাজের তত্ত্বাবধান ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব সিআইডির হাতে দেওয়া হয়। এ কার্যক্রমের জন্য ফরেনসিক বিজ্ঞানে বিশ্বখ্যাত বিশেষজ্ঞ ড. মরিস টিডবলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি বাংলাদেশে এসে সিআইডির ফরেনসিক ও ডিএনএ টিমকে প্রশিক্ষণ দেন।

মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ ডায়েরি ও তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন অনুযায়ী, আদালতের নির্দেশে ১১৪টি মরদেহ উত্তোলন, ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। এই কার্যক্রমে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. লুইস ফন্ডিব্রিডার সহযোগিতা করেন।

৭ থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রায়েরবাজার কবরস্থানে অস্থায়ী মর্গ স্থাপন করে মৃতদেহ উত্তোলন ও ফরেনসিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন ও ময়নাতদন্ত করা হয়েছে, পাশাপাশি সিআইডির ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক নমুনা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

এ পর্যন্ত ৯টি পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে, যার মাধ্যমে ৮ জন শহিদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। বাকি মরদেহের পরিচয় শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই উদ্যোগ নিখোঁজ শহিদদের পরিবারগুলোর অনিশ্চয়তা দূর করে এবং ভবিষ্যতের বিচারিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক প্রমাণ সংরক্ষণে সহায়ক হবে বলে জানানো হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম