ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি ৬৪ জেলায় ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আফগানিস্তানের ২০ নাগরিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে ইরান

১৭ ঘণ্টা পর সীমান্তে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৯ এপ্রিল, ২০২৬,  5:20 PM

news image

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি আলী হোসেনের (৪১) মরদেহ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় ১৭ ঘণ্টা পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতিতে ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে। এর আগে ওই সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিবি জানায়, ধবলগুড়ি সীমান্তের ৮৭৫ নং সীমান্ত পিলারের ১ নম্বর সাব পিলারের পাশে প্রায় ২০ মিনিট বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। 

বিজিবির ১০ সদস্য দলের নেতৃত্ব দেন ৬১ বিজিবি তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম ও বিএসএফের ২০ সদস্য দলের নেতৃত্ব দেন ফালাকাটা বিএসএফ সেক্টরের ১৫৬ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট মিস্টার সৌরভ।

৬১ বিজিবি তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম জানান, পতাকা বৈঠকে গুলি করে বাংলাদেশিকে হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়। বিএসএফ এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে। 

পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট জানায়, যে চোরাচালানীর সঙ্গে জড়িতরা অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বিএসএফ সদস্যকে আঘাত করে। বিএসএফ সদস্য আত্মরক্ষার্থে গুলি করে। এতে এ অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। 

নিহত বাংলাদেশি আলী হোসেন পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি পূর্ব পানিয়ারটারী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।

বিজিবি জানায়, বুধবার রাত ৪টার দিকে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে প্রায় ৫০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে ৭-৮জন বাংলাদেশি। তারা গরু আনতে ভারতের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে অবস্থান করছিলেন। 

এ সময় টহলরত ভারতের ১৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সাতগ্রাম ক্যাম্পের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করেন। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মাটিতে পড়ে যান এবং অন্যরা পালিয়ে যান। পরে বিএসএফ সদস্যরা গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ভাই আব্দুল মালেক বলেন, আমার ছোট ভাই আলী হোসেন কৃষি কাজ করতো। অন্যের প্ররোচনায় পড়ে সে ভারতের অভ্যন্তরে গিয়েছিলো গরু আনার জন্য। যারা নিয়মিত চোরাচালান কাজের সাথে জড়িত তারা পালিয়ে এসেছে কিন্তু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে আমার ছোট ভাই। পুলিশ আমাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেছে। রাতেই স্থানীয় কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে।

পাটগ্রাম থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক বলেন, বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে ভারতের মাথাভাঙা থানা পুলিশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে মরদহে হস্তান্তর করে। পরে মরদেহ নিহেতর পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম