ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নবম পে স্কেল: ৩০ শতাংশ দিয়ে শুরু, বেতন বাড়বে ৪ ধাপে আপাতত একনেকে উঠছে না মেট্রোরেলের দুই প্রকল্প নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে আইফোন কেনা সেই বাবা আটক তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ৬ হাজার কোটি টাকা দিল সরকার সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেল চুক্তি: রদ্রিগেজ শাহজালালে ৬২৫ কার্টন সিগারেটসহ ২৮ লাখ টাকার মালামাল জব্দ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কিনা, আদেশ ৭ সেপ্টেম্বর লেক অন্টারিও এখন ‘লেক আমেরিকা’, ট্রাম্পের নাম বদলের সিদ্ধান্তে সাড়া গুগলের আন্তর্জাতিক টেনিস হল অব ফেমে ফেদেরার

রমজানের শুরুতেই গরম বরিশালের বাজার

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৪ এপ্রিল, ২০২২,  9:50 PM

news image

রমজান মাসের আগেই বরিশালে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে সপ্তাহের ব্যবধানে বরিশাল নগরীর বাজারগুলোতে প্রতিটি প্রণ্যের দামই বেড়েছে। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের চেয়ে বরিশালে ৩ থেকে ৫ টাকা করে বেড়েছে চালের দাম। বিভিন্ন বাজারে মিনিকেট চাল বিক্রি করছেন ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা, ২৮ বালাম চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৫। ছোলার দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে এখন ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বুটের ডালের দামও কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে এখন ৮০ টাকা। কদিন আগেও ১০০-১০৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ছোট দানার মশুর ডালের দাম বেড়ে হয়েছে ১২০-১৩০ টাকা। মাঝারি দানার মশুর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা,

যা কিছুদিন আগেও ছিল ৮০-৯০ টাকা কেজি। ভেসন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০টাকা। খোলা চিনি ৭৮ এবং প্যাকেট চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা। রমজান উপক্ষে চাহিদা বেড়েছে মুড়ি, চিড়া ও খেজুড়ের। মুড়ির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০, চিড়া ৬০ থেকে ৬৫ এবং খেজুর প্রকারভেদের ১৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। এ সপ্তাহে আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা, পিয়াজ ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। দেশি মুসর ডাল ১৩০ থেকে ১৪০, আর বিদেশি ৯৫ থেকে ৯৮ টাকা। সয়াবিন তেল ১ লিটার ১৬৫, ২লিটার ৩৩০ এবং ৫লিটার ৭৮০ টাকা। গত সপ্তাহে কাচা মরিচ ৬০ থেকে ৭০, ফুলকপি ৪০ থেকে ৪৫, টমেটু, পাতাকপি ও গাজর ৩০, বেগুন শশা, ফুলকপি ও শালগম ৪০ টাকা এবং ধনেপাতা ৮০ বিক্রি হয়। এ সপ্তাহে দাম বেড়ে বেগুন, শশা, কাচা মরিচ ৮০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ধনেপাতার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২শ’ টাকা। এদিকে ব্রয়লার মুরগী ১৫০ থেকে ১৬০, সোনালী ২৮০ ও কক মুরগী ২৭০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস ৬৫০ থেকে ৭০০ এবং খাসির মাংস ৯০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন বাজারে। অপরদিকে গত সপ্তাহের মতো মাছের দাম থাকলেও কয়েকটি মাছের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। আমিনুল হাওলাদার নামে নগরীর পলাশপুর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, রোজার শুরুতে প্রতি বছরই দাম বাড়তে থাকে। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এত টাকা দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা খুবই কষ্টসাধ্য। মরিয়ম বেগম নামে এক ক্রেতা বলেন, জিনিসপত্রের দাম বাড়তেই থাকে। সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই যাতে তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর মাধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম