ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাম উপসর্গে একদিনে ৬ মৃত্যু, ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি রোজার পরই এসএসসি পরীক্ষা, পেছানোর কারণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিজিবিকে রাষ্ট্রপতির আহ্বান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ মাতুয়াইলে জিসান হত্যা: শেখ হাসিনা-জয়-ওবায়দুল কাদেরসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল এবার রাবি শিক্ষিকার ব্যাগ টান দিলো ছিনতাইকারী শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল নবম পে স্কেল: ৩০ শতাংশ দিয়ে শুরু, বেতন বাড়বে ৪ ধাপে আপাতত একনেকে উঠছে না মেট্রোরেলের দুই প্রকল্প

মিয়ানমারের ‘দুর্লভ খনিজে’ চোখ যুক্তরাষ্ট্রের

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩১ জুলাই, ২০২৫,  4:47 PM

news image

মিয়ানমারের ‌‘বিরল খনিজ’ সম্পদে আগ্রহী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। খনিজসম্পদে চীনের ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন এবার নতুন করে মনোনিবেশ করেছে মিয়ানমারের কাচিন অঞ্চলে। অঞ্চলটির জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মির (কেআইএ) নিয়ন্ত্রণে আছে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভারী বিরল খনিজের মজুদ। খবর রয়টার্সের। হোয়াইট হাউজ এখন এমন কিছু প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে, যা বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘদিনের যুক্তরাষ্ট্র-মিয়ানমার নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সূত্র জানায়, ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে এখন দুটি ধরনের মত উঠে এসেছে। একটি পক্ষ বলছে,

মিয়ানমারের সামরিক সরকারের (জান্তা) সঙ্গে কথা বলে কাচিন বিদ্রোহীদের (কেআইএ) সঙ্গে শান্তিচুক্তি করিয়ে খনিজ উত্তোলনের পথ খুলে দিতে হবে। অন্যপক্ষ চাইছে জান্তার সঙ্গে কথা না বলে সরাসরি কাচিন বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করুক। কাচিন অঞ্চলেই মিয়ানমারের সবচেয়ে বেশি ‘দুর্লভ’ খনিজের মজুত রয়েছে। এই খনিজ দিয়ে যুদ্ধবিমান ও উচ্চ প্রযুক্তির অস্ত্র তৈরি হয়। চীন এই খনিজ ব্যবহার করে বৈশ্বিক বাজারে বড় অংশ দখল করে রেখেছে।

জানা গেছে, চলতি মাসেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অফিসে আয়োজিত এক বৈঠকে মিয়ানমারের খনিজ পদার্থ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে মিয়ানমারে ব্যবসা ও নিরাপত্তা খাতে কাজ করা কয়েকজন ব্যক্তি অংশ নেন। তারা পরামর্শ দেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে মধ্যস্থতা করে মিয়ানমারে একটি আঞ্চলিক শান্তিচুক্তি করাতে পারে, যেটা খনিজ উত্তোলনের পথ খুলে দেবে। তবে এখনো এসব বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। হোয়াইট হাউজ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। মার্কিন কর্মকর্তারা শুধু বলেছেন, মিয়ানমার নিয়ে নীতিগত পর্যালোচনা চলছে এবং এখনই জান্তার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে না।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম