ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হাইতিতে গণঅপহরণের পর ১৩ জিম্মিকে মুক্তি দিলো সশস্ত্র গ্যাং রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫২২ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা ও সোনা সাবেক আইজিপি এনামুল হক আর নেই ইউক্রেন যুদ্ধের ডেটা কাজে লাগিয়ে ব্রিটেনের সামরিক ঘাঁটি রক্ষায় নতুন এআই ভাঙ্গায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, সৌদি প্রবাসীসহ নিহত ৩ ৬ ছক্কায় ব্রেভিসের ঝোড়ো অর্ধশতকে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা টাইব্রেকারে ডাচদের স্বপ্নভঙ্গ, ১৪ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা যুদ্ধ চায় না ইরান, তবে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে লড়বে: পেজেশকিয়ান নেপাল-চীন সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা, উপচে পড়ছে ব্যারিয়ার লেকের পানি রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

ডায়রিয়া নিয়ে কিছু কথা

#

স্বাস্থ্য ডেস্ক

২১ নভেম্বর, ২০২৩,  4:52 PM

news image

ডায়রিয়া নানা কারণে হয়ে থাকে তবে প্রধান কারণসমূহ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা প্রোটোজোয়া কর্তৃক ইনফেকশন হওয়া।

লক্ষণসমূহ : বারবার পাতলা পায়খানা হওয়া। শুরুর দিকে বমি হওয়া। এ ছাড়া ডিহাইড্রেশন বা পানি শূন্যতার কারণে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। ডায়রিয়া হলে মূল সমস্যাই হলো পানি শূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন। পানি শূন্যতার লক্ষণগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় মৃদু পানিশূন্যতা, স্বল্প পানিশূন্যতা, এবং তীব্র পানিশূন্যতা।

মৃদু পানিশূন্যতা : এখানে পানি শূন্যতার তেমন কোনো লক্ষণ থাকে না, বাচ্চা স্বাভাবিক থাকে। শুধু বারবার পাতলা পায়খানা হয়। স্বল্প পানিশূন্যতা এখানে বাচ্চা অস্থির থাকে, বারবার পানি খেতে চায়, চোখ বসে যায় এবং চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা কমে যায়।

তীব্র পানিশূন্যতা : এখানে বাচ্চা নেতিয়ে পড়ে, পানি খাওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, চোখ অনেক বেশি বসে যায় এবং চামড়ার স্থিতিস্থাপকতা খুব বেশি কমে যায়।

চিকিৎসার মূলত দুটি অংশ

১) যে কারণে ডায়রিয়া হয়েছে সেটার চিকিৎসা করা। ২) পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা বা পানিশূন্যতার চিকিৎসা করা। ডায়রিয়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাইরাস ঘটিত। তাই শুধু পানিশূন্যতার চিকিৎসা করলে শিশুরা সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়াল ডায়রিয়া যেমন : কলেরা এসব ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হয়। মৃদু ও স্বল্প পানিশূন্যতার ক্ষেত্রে মূল চিকিৎসা হলো বারবার ওরস্যালাইন খাওয়ানো। আর তীব্র পানি শূন্যতা হলে বাচ্চাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ আইভী বা শিরা পথে কলেরা স্যালাইন দেওয়া। তাই এ বিষয়ে অবহেলা না করে  সবাইকে সচেতন হতে হবে।

লেখক: ইউনিট প্রধান, শিশু বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম