ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৬৪ জেলায় ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আফগানিস্তানের ২০ নাগরিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে ইরান সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাই: শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২৯ সেপ্টেম্বর শপথ নিলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি ৬ মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ‘হুজুররা হাসনাতের বেলায় এত চেতছে, অথচ বিএনপির বেলায় চুপ’ গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে লোডশেডিং, নাকাল জনজীবন কৃষিঋণের সুবিধাভোগীর তালিকায় এগিয়ে নারীরা

গৃহকর্মীকে গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা, থানা হেফাজতে পুলিশ দম্পতি

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৮ জুন, ২০২৬,  6:58 PM

news image

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় এক কিশোরী গৃহকর্মীকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাঁকা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী এএসআই পপি মিত্র।বৃহস্পতিবার সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার দেখায়। নির্যাতনের শিকার কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্ক সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানালা দিয়ে দেখতে পান, গরম কড়াই দিয়ে মেয়েটির মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দেওয়া হচ্ছে। যন্ত্রণায় মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, হাত থেকে তরকারি পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে গৃহকর্ত্রী পপি মিত্র ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালান। এছাড়া সঞ্জয় মিত্র ও পপি মিত্র দীর্ঘদিন ধরেই গৃহকর্মীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিবেশীরা। ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুরোনো আঘাতের চিহ্নও দেখা গেছে।

ঘটনার সময় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ভোরে নরসিংদী থেকে খুলনায় এসে ভুক্তভোগীর মা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর অভিযুক্ত পুলিশ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম