ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বামনায় ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক উপজেলাব্যাপী ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরায় ডিসি কাপ ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি

৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ছিলেন খামেনি

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০১ মার্চ, ২০২৬,  4:32 PM

news image

বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় ইরানের শাসন পদ্ধতি বেশ আলাদা। সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বা সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হলেও দেশের মূল ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে। ৩৭ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ধর্মীয় পণ্ডিতের সন্তান খামেনি ১৯৬২ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর আলি খামেনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক রেভল্যুশন গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) গঠনে সহায়তা করেন। ১৯৮৯ সালের জুন মাসে খোমেনির মৃত্যু হলে ধর্মীয় নেতাদের বিশেষজ্ঞ পরিষদ খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।  এরপর থেকে আয়াতুল্লাহ খামেনি ইরানের রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন এবং শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জগুলো কখনও কখনও সহিংসভাবে দমন করেছেন। তিনি পররাষ্ট্র বিষয়েও ধারাবাহিকভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান মুখোমুখি অবস্থান রয়েছে। তিনি বরারবরই ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন এবং হলোকাস্ট ঘটেছিল কি না তা নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। ছয়জন সন্তানের জনক খামেনির শাসনামলে ইরানে সাতজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম