ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সোনারগাঁয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার দেশে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ৬ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট, তথ্য দিলে পুরস্কার ২ লাখ টাকা বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে আগুন দেশের বাজারে আবারও সোনার দামে বড় পতন ‘চাপের মুখে’ বন্যায় উদ্ধার অভিযানে বিদেশি সহায়তা নিতে রাজি হলো নেপাল ঘুষকাণ্ডে ইকুয়েডরের সাবেক প্রেসিডেন্টের কারাদণ্ড বন্যায় ভেসে আসা মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে নেপাল

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭ আগস্ট, ২০২৬,  4:53 PM

news image

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-কে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় চুক্তিটিকে প্রশংসা করে তিনি বলেন, তিন দেশ শেষ পর্যন্ত এ চুক্তিতে পৌঁছানোয় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।


ট্রাম্পের ভাষ্য, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান ঐক্য এবং নিজেদের নিরাপত্তা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করার সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেছে। তিনি এটিকে ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।


আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে চলতি মাসের শুরুতে ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তিতে সই করে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান।


তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান চুক্তিটিকে পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যে ‘কৌশলগত সংকল্পের’ প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো সাম্প্রতিক ঘটনা বা নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করে এই চুক্তি করা হয়নি।


এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক বরাবরই উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনীতি, সংঘাতের বদলে সংলাপ এবং বিভাজনের পরিবর্তে শক্তিশালী আঞ্চলিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দেশটি ভবিষ্যতেও নিজেদের ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান তিনি।


চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে।


যৌথ কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে করা এই চুক্তির প্রধান লক্ষ্য যৌথ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী করা এবং কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য না করে একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম