ঢাকা ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, নিহত ৪ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি সাতক্ষীরায় ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ১৭ বছর শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে ছেলেখেলা করা হয়েছে: রিজভী সাগরে লঘুচাপের শঙ্কা, টানা ৫ দিন দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রাজধানীর আড়াই শ চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণে যেসব বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী সুনামগঞ্জে ৩ সন্তানকে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ মিলবে বিসিক কার্যালয় থেকেই, যারা পাবেন

সব প্রতিষ্ঠানে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করতে হবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ আগস্ট, ২০২৫,  8:19 PM

news image

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূর জাহান বেগম বলেছেন, শিশুর স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসম্মত বিকাশ নিশ্চিত করতে দেশের সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে ডে-কেয়ার (শিশুর দিবাযত্ন) সেন্টার স্থাপন করতে হবে। সোমবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। নূর জাহান বেগম বলেন, মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর হার প্রতি বছরই কমছে, যা একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এই প্রবণতা রোধ করে শিশুকে দুই বছর পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হলে পরিবার ও কর্মক্ষেত্র উভয় জায়গায় সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই আগামী বছরের মধ্যেই মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর হার বাড়ানো হোক।

শিশুকে যেন দুই বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ খাওয়ানো যায়, সে জন্য সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডে-কেয়ার সেন্টার থাকতে হবে। এতে মায়েরা কর্মক্ষেত্রে থেকেও সন্তানের কাছে থাকতে পারবেন, শিশুও পাবে নিয়মিত মাতৃদুগ্ধ। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি মেধাসম্পন্ন ও সুস্থ জাতি গড়ে তোলা। এর জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই। জন্মের পর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে অবশ্যই শালদুধ খাওয়াতে হবে। কারণ, শালদুধে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর প্রথম ছয় মাস শিশুকে একমাত্র মায়ের দুধেই রাখতে হবে। তারপরও শিশুর খাবারের পাশাপাশি দুই বছর পর্যন্ত মাতৃদুগ্ধ চালিয়ে যেতে হবে। শহর ও গ্রামে বাস্তবতা ভিন্ন স্বীকার করে তিনি বলেন,

শহরে কর্মজীবী মায়েরা সময়ের অভাব ও কর্মক্ষেত্রের সীমাবদ্ধতার কারণে সন্তানের পাশে থাকতে পারেন না। আবার গ্রামাঞ্চলে দারিদ্র্য, কুসংস্কার ও সচেতনতার অভাবে শিশুকে ঠিকভাবে মায়ের দুধ খাওয়ানো হয় না।  অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, শুধু মায়েদের সচেতনতা নয়, পরিবার ও সমাজকেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। কর্মক্ষেত্রগুলোতে যদি ডে-কেয়ার বা ব্রেস্টফিডিং কর্নার থাকে, তাহলে কর্মজীবী মায়েদের জন্য এটি হবে বড় সহায়ক পদক্ষেপ। ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রামে-শহরে সর্বত্র মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে প্রচারণা জোরদার করতে হবে। মানুষের মধ্যে ধারণা তৈরি করতে হবে যে, মায়ের দুধই শিশুর প্রথম ভ্যাকসিন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম