ঢাকা ২৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার দেশে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ৬ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট, তথ্য দিলে পুরস্কার ২ লাখ টাকা বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে আগুন দেশের বাজারে আবারও সোনার দামে বড় পতন ‘চাপের মুখে’ বন্যায় উদ্ধার অভিযানে বিদেশি সহায়তা নিতে রাজি হলো নেপাল ঘুষকাণ্ডে ইকুয়েডরের সাবেক প্রেসিডেন্টের কারাদণ্ড বন্যায় ভেসে আসা মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে নেপাল বরফ গলে যাওয়ায় গ্রিনল্যান্ডের সামুদ্রিক অঞ্চলে চলে আসছে বিশাল তিমি

শবেবরাত ক্ষমাপ্রার্থনার রাত

#

১৭ মার্চ, ২০২২,  4:01 PM

news image

শবেবরাত অর্থ মুক্তির রাত। হাদিসের ভাষায় বলা হয় ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’। আরবি ভাষায় বলা হয় ‘লাইলাতুল বারাত’। আল কোরআনে এ রাতকে লাইলাতুল মুবারকা বা বরকতময় রাত অভিহিত করা হয়েছে। এছাড়া তাফসির, হাদিস ও ফিকাহর ব্যাখ্যাগ্রন্থগুলোয় ভিন্ন নামে, ভিন্ন শব্দে ও ভিন্ন পরিভাষায় শবেবরাতের আলোচনা এসেছে। এ রাতকে ‘লাইলাতুল কিসমাহ’ বা ভাগ্যরজনীও বলা হয়। লাইলাতুত তওবাহ’ বা তওবার রাত, তওবা কবুল হয়। ‘লাইলাতুল আফউ’ বা ক্ষমার রাত। ‘লাইলাতুল ইৎক’ তথা জাহান্নাম থেকে মুক্তির রাত। ‘লাইলাতুত দোয়া’ বা প্রার্থনার রাত। ইবনে মাজাহয় এভাবে এসেছে- হজরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,

‘যখন তোমাদের কাছে শাবানের মধ্যরাত (শবেবরাত) উপস্থিত হবে তখন তোমরা সে রাতটি জাগ্রত থাক (নামাজ পড়ে, কোরআন তিলাওয়াত করে, তাসবিহ পড়ে, জিকির করে, দোয়া করে) এবং দিনের বেলা রোজা রাখ। কারণ এ রাতে মহান আল্লাহ সূর্যাস্তের পর থেকে ফজর পর্যন্ত দুনিয়ার আসমানে তাশরিফ আনেন এবং তিনি ঘোষণা করেন, আছে কি এমন কোনো ব্যক্তি যে তার গুনাহ মাফের জন্য আমার কাছে প্রার্থনা করবে। আমি তার গুনাহগুলো মাফ করে দেব। আছে কি এমন কোনো রিজিক প্রার্থনাকারী যে আমার কাছে রিজিক প্রার্থনা করবে? আমি তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেব। আছে কি এমন কোনো বিপদগ্রস্ত যে আমার কাছে বিপদ থেকে মুক্তি চাইবে? আমি তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করব।  এভাবে পূর্ণরাত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ঘোষণা হতে থাকে এবং বান্দাদের ওপর রহমত বৃষ্টির মতো নাজিল হতে থাকে।’ মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং ক্ষমা নিয়ে শবেবরাত আসে। আল্লাহ শুধু তাঁর বান্দাদের ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। এ রাতে তিনি তাঁর অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রসুল (সা.) মধ্যশাবানের রাতে মদিনার কবরস্থান জান্নাতুল বাকিতে এসে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইসতিগফার করতেন।’ তিনি বলেন, ‘এ রাতে মহান আল্লাহ বনি কালবের বকরির পশমের সংখ্যার চেয়েও বেশি-সংখ্যক বান্দাকে ক্ষমা করে দেন।’ (তিরমিজি)।

লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম