ঢাকা ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মাতৃস্নেহে পুলিশের কোলে ছোট্ট শিশু, পরীক্ষা দিলেন মা বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব, বিদ্যুৎহীন হাজারো পরিবার ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা অপরাধ দমনে পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে জাপানের বিপক্ষে লড়বে ব্রাজিল নতুন করে ৯০ প্রবাসীকে সিআইপি মর্যাদা দিতে যাচ্ছে সরকার দেশকে অস্থিতিশীল করতে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুজব রটানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে পুলিশের চিঠি

লামায় মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  9:38 PM

news image

বান্দরবানের লামায় মেয়েকে ধর্ষণ করার দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড আনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বান্দরবানের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ বিচারক জেবুন্নাহার আয়শা এ আদেশ দেন। জানা যায়, চোবাহান জোমাদার (৩৯) নামের ওই ব্যক্তি নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চোবাহান জোমাদার উপজেলার রুপসীপাড়া ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড নুর আলী পাড়া এলাকার বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সালাউদ্দিন কাদের প্রিন্স। তিনি জানান,

নিজের মেয়ে ধর্ষণ করার দায়ে চোবাহান জোমাদারকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একই সঙ্গে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালে হালিমা বেগমের সঙ্গে চোবাহানের বিয়ে হয়। তাদের ঘর আলোকিত করে একটি কন্যা শিশু জন্ম নেয়। দাম্পত্য জীবনে সম্পর্কের অবনতি হলে ২০১০ সালে ডিভোর্স হয় তাদের। সে থেকে শিশুটি মেয়ের সঙ্গে মামার বাড়িতে থাকতেন। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে ২০১৮ সালে নিজের কিশোরী কন্যাকে বাবা চোবাহান জোমাদার নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। ওই বছরের ১৯ মে রাত সাড়ে ৭টার দিকে মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে চোবাহান জোমাদার। সেই থেকে ওই বছরের ৩ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময় পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি। পরে মামার বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি মাকে জানালে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কিশোরীর মামা মো. রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। দীর্ঘ সময়ে ধরে সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম