ঢাকা ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মাতৃস্নেহে পুলিশের কোলে ছোট্ট শিশু, পরীক্ষা দিলেন মা বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব, বিদ্যুৎহীন হাজারো পরিবার ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা অপরাধ দমনে পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে জাপানের বিপক্ষে লড়বে ব্রাজিল নতুন করে ৯০ প্রবাসীকে সিআইপি মর্যাদা দিতে যাচ্ছে সরকার দেশকে অস্থিতিশীল করতে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুজব রটানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে পুলিশের চিঠি

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-মেয়ের মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৭ জুন, ২০২৩,  5:58 PM

news image

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় মা তাছলিমা খাতুন (২৭) ও তার দেড় বছরের শিশু কন্যা মাহি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের হাড়াভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর তাছলিমার স্বামী মিন্টু চৌধুরীর খোঁজ মিলছে না। মিন্টু চৌধুরী হাড়াভাঙ্গা গ্রামের পশ্চিম (পুরাতন) পাড়ার বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তাছলিমা ও তার মেয়ে মাহির মরদেহ বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে থাকা দেখতে পান তাছলিমার শাশুড়ি। বিষয়টি তিনি প্রতিবেশীদের জানান। প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দেখে মা ও মেয়ের নিথর মরদেহ পড়ে রয়েছে। তাছলিমার স্বামীর পরিবারের দাবি, বিদ্যুতের লাইন থেকে চার্জার ব্যাটারি খুলতে গিয়ে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। তবে গ্রামবাসী মৃত্যুর বিষয়টিকে রহস্যজনক মনে করছেন। স্থানীয়রা জানান, মিন্টু চৌধুরীর স্ত্রী-সন্তান থাকা সত্ত্বেও গত ১ সপ্তাহ আগে অন্য নারীকে বিয়ে করেছেন। এ বিয়েকে কেন্দ্র করে তাছলিমা প্রতিবাদ করার কারণে গত কয়েকদিন ধরে মিন্টু তার নতুন স্ত্রী তাছলিমাকে মারধর করে আসছিলেন। তাই মিন্টু স্ত্রী-সন্তানকে কৌশলে হত্যা করে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নাটক সাজাতে পারে। জানা যায়, তাছলিমাকে বিয়ের আগে মিন্টুর প্রথম স্ত্রী ও সন্তান ছিল। পরে শরীয়তপুর জেলার মেয়ে তাছলিমাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। গত এক সপ্তাহ আগে মিন্টু নিজ এলাকায় ততৃীয় বিয়ে করেছেন। এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিদ্যুৎ লাইনে শরীর স্পর্শ করার কারণে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বলা সম্ভব হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম