ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বামনায় ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক উপজেলাব্যাপী ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরায় ডিসি কাপ ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি

বাগেরহাটে আপেল খ্যাত টমেটোর চাষ বাড়ছে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৬ জানুয়ারি, ২০২২,  7:02 PM

news image

দেশের দক্ষিণাঞ্চল বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলাতে আপেল খ্যাত টমেটো সারাদেশে সাড়া জাগিয়েছে।এটি দেখতেও অনেকটা অপেলের মত। যে কারনে এটি বাজারে বেশ চাহিদা থাকায়  চাষিরা অনেক লাভবান । উন্নত জাতের এসকল টমেটো স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন সহর বন্দরে রপ্তানি হচ্ছে।  স্থানীয় চাষী এবং ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, টমেটো চাষে এই এলাকা এখন বিখ্যাত। এখানে আগাম প্রচুর জমিতে টমেটোর চাষ হয়। ডিসেম্বর মাসের শুরুতে এটি পাকতে শুরু করে। এ সময় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে টমেটো কিনতে পাইকাররা ভিড় জমান। ফলে দামও বেশ চড়া থাকায় টমেটো চাষ করে বড় অংকের টাকা চাষিদের ঘরে আসে। সে কারনে টমেটো আবাদে চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন।

উপজেলার খলিশাখালী গ্রামের টমেটো চাষি ভগিরথ মন্ডল, উমাজুড়ী গ্রামের সমির বাড়ৈ, শুরশাইল সেকেন্দার ফরাজীসহ অনেকে বলেন, আগাম টমেটো চাষে লাভবান তারা। প্রতি মণ টমেটো বর্তমান ৩৫০ থেকে ৪০০ বিক্রি করেছেন। এতে আশানুরূপ দাম পেয়ে খুশী তারা।   স্থানীয় টমেটো ব্যবসায়ী এমদাদুল হক,হাফিজ ফরাজী,শহিদ মোল্লা, ও রেজাউল হোসেন  জানান পান পাতা, হাইটম, বিউটিফুল-২, চক্র, মেজরসহ প্রভৃতি টমেটো চিতলমারীতে উৎপাদিত হয়। এখানকার টমেটোর রাজধানীসহ সারা দেশে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন হাজার-হাজার টন টমেটো ট্রাক যোগে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু হওয়ায় পাইকারদের বিড়ম্বনা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার অসীম কুমার দাশ বলেন, এ বছর ৬শ’ ১৫ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের টমেটো চাষ করার লক্ষমাত্র ধরা হয়। পরে তা বেড়ে ৬৫০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে।  উৎপাদিত টমেটোর ফলন হয়েছে ২২হাজার ৭৫০  মেট্রিকটন। চাষির ঘরে যার আসবে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম