ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি ৬৪ জেলায় ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপকে দেয়া দায়িত্ব চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আফগানিস্তানের ২০ নাগরিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে ইরান

নিজের গায়ে আগুন দেয়া সেই গৃহবধূ মিম আর নেই

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ জুন, ২০২২,  5:21 PM

news image

রাজধানীর শাহজাহানপুরে পারিবারিক কলহের জেরে নিজের গায়ে আগুন দেয়া অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ পাপিয়া সারোয়ার মিম (১৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার (১ জুন) ভোরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। মিমের মামা রুমেল আহমেদ খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে হাসপাতালে থাকা স্বজনদের মাধ্যমে তিনি খবর পান মিমের মৃত্যুর। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল সে। ভোরে সেখাই মারা গেছে। এরপর মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। এর আগে শনিবার (২৮ মে) দুপুরে শাজাহানপুর বাগিচা ঝিল মসজিদ এলাকার একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনাটি ঘটে।

সে ঢাকা সিটি ইন্টারন্যাশনাল কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিল। মিমের মা পারভিন আক্তার জানান, তাদের বাড়ি কুমিল্লা তিতাস উপজেলায়। স্বামী রাম্মিমের সঙ্গে ওই বাসায় ভাড়া থাকত মিম। একই এলাকাতে মিমের বাবা-মাও থাকেন। তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। মিম তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। বেশ কয়দিন ধরে তাদের সংসারের কলহ শুরু হয়। রাম্মিমের চরিত্র ভালো না। মিম তাকে বিভিন্ন কারণে ভালো হতে বলতো। তবে সে মিমকে মানসিকভাবে নির্যাতন করতো। সহ্য করতে না পেরে মিম নিজের গায়ে আগুন দেয়। রাম্মিম এলাকাতে একটি ফ্লাক্সিলোডের দোকানে কাজ করে। ঘটনার দিন তিনি জানান, ঘটনার আগের রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। দুজন দুজনকে সন্দেহ করতো। এসব কারণে জেদ করে মিম নিজের গায়ে নিজেই আগুন দিয়েছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মিমের শরীরে ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম