ঢাকা ৩০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বামনায় ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক উপজেলাব্যাপী ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরায় ডিসি কাপ ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি

নভেম্বরে বন্ধ হচ্ছে ৩০ লাখ মোবাইল সিম

#

০৪ অক্টোবর, ২০২২,  6:32 PM

news image

আগামী নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে প্রায় ৩০ লাখ মোবাইল সিম। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বলছে, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নেয়া যায়। তবে নিজ নামে ৩০টিরও বেশি সিম নিবন্ধন করেছেন অনেকে। এমন সাত লাখ গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে মোবাইল অপারেটররা। যেসব সিম গ্রাহক বন্ধ করবে তার তালিকা কাস্টমার কেয়ারে দিতে বলা হয়েছে। গত ২০১৬ সালের জুনে একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ ২০টি সিম কার্ড ব্যবহারের অনুমতি দেয় বিটিআরসি। এক বছর পরই তা সংশোধন করে এ সংখ্যা ১৫টিতে নির্ধারণ করা হয়। তবে এ নিয়ম শতভাগ প্রয়োগ করতে পারেনি নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সম্প্রতি দেশের ১৮ কোটি ৪০ লাখ মোবাইল সংযোগ ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে বিটিআরসি। এতে দেখা গেছে,

সাত লাখ ২৩ হাজার গ্রাহক নির্ধারিত সংখ্যার চেয়েও অতিরিক্ত প্রায় ৩০ লাখ মোবাইল সিম নিয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৫৭ গ্রাহকের কাছেই রয়েছে অতিরিক্ত ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৯৯৩টি সিম! শনাক্ত শেষে এবার এসব সিম বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে বিটিআরসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থার দেয়া তালিকা ধরে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে মোবাইল অপারেটররা। চলতি মাসের (১৫ অক্টোবর) পর্যন্ত গ্রাহকরা কোন সিম বন্ধ বা চালু রাখবেন তা বাছাই করার সুযোগ পাবেন। বাংলালিংকের চিপ করপোরেট অ্যান্ড অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সময় দিয়েছিল বিটিআরসি গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য; সে অনুসারে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমরা কিন্তু তৎপর, যাতে যেই গ্রাহকই থাকুন না কেন তারা যেন কোয়ালিটি সাবস্ক্রাইবার থাকেন।’ গ্রাহক কাস্টমার কেয়ারে গেলে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করবেন সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটররা। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে সাড়া না দিলে নিজ উদ্যোগে সিম বন্ধ করবে বিটিআরসি। বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘শেষ কোন মোবাইল সিম ব্যবহার হয়েছে সেটা পর্যবেক্ষণ করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’ তবে যাদের সিম কেনার করপোরেট অনুমতি আছে তারা এ নিষ্ক্রিয়করণের আওতার বাইরে থাকবেন বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম