দূরপাল্লার বাসে কিমি প্রতি ৮ পয়সা, শহরে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 1:50 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 1:50 PM
দূরপাল্লার বাসে কিমি প্রতি ৮ পয়সা, শহরে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ৮ পয়সা এবং রাজধানীসহ শহরাঞ্চলের বাসে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। একই সঙ্গে লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব প্রস্তাবের কথা জানান বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ৮ পয়সা এবং শহরের বাসে প্রতি কিলোমিটারে ১০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া লঞ্চের ভাড়া প্রতি নটিক্যাল মাইলে ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা এবং রাজধানীসহ শহরাঞ্চলের বাসে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। ভাড়া কত বাড়ানো হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। পরে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন ভাড়া কার্যকর করা হবে।
এর আগে রোববার রাতে ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। নতুন দর অনুযায়ী, সোমবার থেকে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, জ্বালানির দাম বাড়লে বাস ও লঞ্চের ভাড়া বাড়বে, এটি স্বাভাবিক। তবে সংগঠনটির অভিযোগ, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সুবিধা বাস ও লঞ্চ মালিকদের দিকে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগী হয়ে ওঠেন। ভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাস ও লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করা হলেও গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি পুরোপুরি প্রকাশ করা হয় না বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনটির দাবি, ভাড়া নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় মালিক সমিতি ও সরকারের সঙ্গে যাত্রীদের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হয় না। পরিবহন পরিচালন ব্যয় কতটা বেড়েছে এবং তা সমন্বয়ে কত পয়সা ভাড়া বাড়ানো প্রয়োজন, সে বিষয়েও পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নেই বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। এতে সাধারণ মানুষ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও দাবি করেছে সংগঠনটি।