ঢাকা ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব, বিদ্যুৎহীন হাজারো পরিবার ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা অপরাধ দমনে পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে জাপানের বিপক্ষে লড়বে ব্রাজিল নতুন করে ৯০ প্রবাসীকে সিআইপি মর্যাদা দিতে যাচ্ছে সরকার দেশকে অস্থিতিশীল করতে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুজব রটানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে পুলিশের চিঠি জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট কোনো হকার বসা যাবে না

গাইবান্ধায় ফের বাড়ছে নদ-নদীর পানি

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১১ জুলাই, ২০২৪,  9:46 PM

news image

গাইবান্ধায় আবারও বাড়ছে নদ-নদীর পানি। বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও আবারও ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে। তবে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি এখনও বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টায় গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বইছে। করতোয়া নদীর পানি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চকরহিমাপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ১১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সংলগ্ন কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার প্রধান নদ—নদীসহ সবগুলোর পানিবৃদ্ধি পাচ্ছে। এখনও গাইবান্ধার ৪ উপজেলা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটার ২৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হাজার পরিবার এখনও পানিবন্দি হয়ে রয়েছে। গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। ঘাঘট নদীর তীরে অবস্থিত শহর রক্ষা বাঁধ প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে বড় বড় খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়ে রাত্রি যাপন ও রাস্তা দিয়ে চলাচল করছেন এলাকার মানুষ। নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে শহর ঢুকে বাড়ি-ঘর সরকারি অফিস আদালত প্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, ২০১৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধা ঘাঘট নদীর শহর রক্ষা বাঁধ সংস্কার করেন নামে মাত্র। বাহির থেকে মাটি না নিয়ে বাঁধের কোল ঘেসে বালু উত্তোলন করে বাঁধ নির্মাণের এমনটা তৈরি হয়েছে বলে জানান তারা। জেলার চার উপজেলার বন্যা কবলিত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাঠদান বন্ধ। অন্যদিকে, পানিতে নিমজ্জিত ও তলিয়ে গেছে ৩ হাজার ৮৯০ হেক্টর আউশ ধান,পাট, ভুট্টা ও আমন বীজতলা। তলিয়ে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের। এসব এলাকার ফসলি জমিগুলো পানির নিচে তলিয়ে আছে। হাটু ও কোমর পানির নিচে এসব এলাকার মানুষের বাড়িঘর। শুকনো জায়গা না থাকায় রান্নাবাড়ি করতে পারছেন না। ফলে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সঙ্কটে পড়েছেন তারা। দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় এসব দুর্গত এলাকার মানুষ নানা রকম রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। জ্বর, সর্দি, কাশি, পেটের অসুখ ও হাতে পায়ে ঘা দেখা দিয়েছে এসব এলাকার মানুষের।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম