ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বামনায় ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক উপজেলাব্যাপী ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরায় ডিসি কাপ ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি

এভাবে বললে বিচার বিভাগ ভেঙে পড়বে: নুরকে হাইকোর্ট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ জানুয়ারি, ২০২৪,  9:25 PM

news image

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে উদ্দেশ করে হাইকোর্ট বলেছেন, আপনারা রাজনৈতিক নেতা। ভবিষ্যতে হয়ত রাষ্ট্র পরিচালনায় আসবেন। তাই বিচার বিভাগ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না। আপনার বক্তব্য যেভাবে পত্রিকায় এসেছে, এভাবে বলে থাকলে বিচার বিভাগ ভেঙে পড়বে। আজ বুধবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব কথা বলেন। আদালত অবমাননা বিষয়ে তলবে এদিন সকালে হাইকোর্টে হাজির হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। আদালতের নুরের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। শুনানির শুরুতে নুরের আইনজীবী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, আপনারা আদালত অবমাননার রুল দিয়েছেন। রুলের ব্যাখ্যা দিতে আমাদের সময় প্রয়োজন। নুরুল হক নুরের বক্তব্য পত্রিকায় যেভাবে এসেছে উনি সেভাবে বলেননি। রুলের ব্যাখ্যায় আমরা প্রকৃত বক্তব্য তুলে ধরবো। এ সময় আদালত বলেন, আমরাও চাই বক্তব্য ডিফারেন্ট হোক। কারণ পত্রিকায় যেভাবে এসেছে, এভাবে বললে তো বিচার বিভাগ ভেঙে পড়বে। আপনারা রাজনৈতিক নেতা। ভবিষ্যতে হয়ত রাষ্ট্র পরিচালনায় আসবেন। তাই বিচার বিভাগ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করবেন না। শুনানি শেষে আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দিতে নুরুল হক নুরকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। সেদিনও তাকে আদালতে হাজির থাকতে হবে বলে আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে নুরের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার একটি অভিযোগ প্রধান বিচারপতি বরাবর উপস্থাপন করা হলে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। পরে হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে ১১ ডিসেম্বর নুরকে তলব করেন। এছাড়া নুরের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম