ঢাকা ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
২০২৭ সালের রমজানের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ সুন্দরবনে ৫২ জলদস্যুর একযোগে আত্মসমর্পণ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু সাতক্ষীরা সদরের তালতলা থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার ৯ম পে-স্কেল নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়াতে ১৭ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন এডিবির ‘মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আগে যাচাই করবে বাংলাদেশ’ ৪৫ বছর পর মিলল মোজাফফরের ফোনে জিয়া হত্যার নতুন তথ্য জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবের আমেজ

ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  11:15 AM

news image

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ، وَالْهَرَمِ والْمَأثَمِ وَ الْمَغْرَمِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা’ছামি ওয়াল মাগরাম।’ (মুসলিম)


অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি অলসতা, অধিক বার্ধক্য, গোনাহ এবং ঋণ থেকে।’


মিনাল কাসালি (الْكَسَلِ): অলসতা বা কর্মবিমুখতা থেকে।


ওয়াল হারামি (الْهَرَمِ): চরম বার্ধক্য বা বার্ধক্যের এমন অক্ষমতা ও জরাগ্রস্ততা থেকে, যা মানুষের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।


ওয়াল মা’ছামি (الْمَأْثَمِ): গোনাহ বা পাপাচার থেকে।


ওয়াল মাগরাম (الْمَغْرَمِ): ঋণ বা ঋণের বোঝা থেকে, যা পরিশোধ করতে না পেরে মানুষ বিপদে পড়ে।


রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঋণ থেকে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় চাইতেন। কারণ ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঈমানহারা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ঋণের কারণে অনেকেই মিথ্যা এবং ওয়াদা খেলাপের গোনাহে লিপ্ত হয়।


হজরত আনাস (রা.)–এর বরাতে একটি হাদিস জানা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজানি, ওয়াল আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল-জুবনি, ওয়া দ্বালায়িদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।’ অর্থাৎ, হে আল্লাহ, নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমনপীড়ন থেকে। (বুখারি, হাদিস: ২৮৯৩)


একজন বিশ্বাসী লোকের কাছে ঋণের বোঝার চেয়ে ভারি কিছু নেই। কারণ, ঋণ বান্দার হক। ক্ষমা না পেলে ঋণ থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই। তাই কেউ ঋণ মাফ করে দিলে ওই ব্যক্তির জন্য আখিরাতে অনেক বড় পুরস্কারের ঘোষণা এসেছে হাদিসে।


হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবু রবিআ আল-মাখযুমি (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবী করিম (সা.) হুনাইন যুদ্ধের সময় তাঁর কাছ থেকে ৩০ বা ৪০ হাজার দিরহাম ঋণ নিয়েছিলেন। নবী (সা.) যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে তাঁর পাওনা পরিশোধ করেন। এরপর নবী করিম (সা.) তাঁকে দোয়া করে বললেন, ‘আল্লাহ–তাআলা তোমাকে তোমার পরিবার ও সম্পদে বরকত দান করুন। নিশ্চয়ই ঋণের প্রতিদান হলো, তা পরিশোধ করা ও প্রশংসা করা।’ (ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ)

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম