ঢাকা ২৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সোনারগাঁয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সাভার-আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ৭ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার দেশে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ৬ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট, তথ্য দিলে পুরস্কার ২ লাখ টাকা বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে আগুন দেশের বাজারে আবারও সোনার দামে বড় পতন ‘চাপের মুখে’ বন্যায় উদ্ধার অভিযানে বিদেশি সহায়তা নিতে রাজি হলো নেপাল ঘুষকাণ্ডে ইকুয়েডরের সাবেক প্রেসিডেন্টের কারাদণ্ড বন্যায় ভেসে আসা মরদেহ শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে নেপাল

আসামি গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তার দাবিতে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ আগস্ট, ২০২৬,  3:48 AM

news image

হাতিরঝিল থানার ডিআইটি রোড এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান গ্রুপের ক্যাডার ও ব্যবসায়িক বিরোধীদের গুলিতে নিহত ব্যবসায়ী ইয়াসিন খান পলাশ হত্যার আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, তাদের দেওয়া অব্যাহত মৃত্যুর হুমকি এবং পরিবারের সুরক্ষার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের পরিবার।

আজ (২২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহতের মা মোসা: আমেনা বেগম। এ সময় তার স্বামী মো: ইউনুস খানসহ নিকট আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আমেনা বেগম জানান, গত ১২ জুন জুম্মার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা তার একমাত্র ছেলে ইয়াসিন খান পলাশের ওপর খুব কাছ থেকে অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ ৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত ২০ জুন ২০২৬ তারিখে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পলাশ মারা যান।

ঘটনার পরপরই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পলাশ নিজে বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৮/২০২৬) দায়ের করেন। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পর মা আমেনা বেগম গত ৯ জুলাই কোর্টে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৭২৩/২০২৬) দায়ের করেন। বর্তমানে দুটি মামলাই গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অধীনে তদন্তাধীন রয়েছে।

আমেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, পলাশ এলাকায় ইন্টারনেট ও ঠিকাদারি ব্যবসার (মেসার্স থ্রি ভিউ এন্টারপ্রাইজ) সাথে জড়িত ছিলেন। ব্যবসার হিসাব-নিকাশ নিয়ে তার দুই বন্ধু হাসান ও মিরাজের সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। পরবর্তীতে তাদের সাথে যুক্ত হয় এলাকার প্রভাব বিস্তারকারী ও সন্ত্রাসী গ্রুপ—মোবাইল টিপু, সাইফুল কন্ট্রাক্টর, বিল্লাল কন্ট্রাক্টর, গুজা বাদশা, বলদা বাদশা, জীবন, মোল্লা জনি, পিচ্চি আলামিন, লম্বা ফয়সাল, কালা জিহাদ, মামুন ও এবাইদুলসহ আরও অনেকে। এই গোষ্ঠীটি দুবাই প্রবাসী শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে পলাশকে হত্যা করে।

এদিকে নিহতের মায়ের অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকে আসামীরা গ্রেপ্তার না হয়ে উল্টো তাদের পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে বাড়িঘর ছাড়া করার ষড়যন্ত্র করছে। পুলিশ ও ডিবির তদন্তে চরম ধীরগতি রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, "আমার একমাত্র ছেলেকে তারা কেড়ে নিয়েছে, এখন আমাদেরও মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না।

সংবাদ সম্মেলন থেকে আমেনা বেগম ও তার পরিবার প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুততম সময়ে পলাশ হত্যার মাস্টারমাইন্ডসহ সকল আসামীদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের জান-মালের পূর্ণ নিরাপত্তার দাবি জানান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম