ঢাকা ৩১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বামনায় ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক উপজেলাব্যাপী ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সাতক্ষীরায় ডিসি কাপ ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন আশাশুনি স্টুডেন্ট ভিসা সহজ করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু এনবিআরে বড় রদবদল ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত রিকশা দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ার সাতমাথায় ড্রেন সংস্কারের সময় থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের শতাধিক গুলি উদ্ধার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: পরিকল্পনামন্ত্রী স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী এশিয়া কাপ: শিরোপা জিততে বাংলাদেশের চাই ১১৮ রান

#

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২২ ডিসেম্বর, ২০২৪,  5:02 PM

news image

কয়েকদিন আগেই ভারতকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছিল যুবারা। এবার পালা নারীদের। বছরের শেষটা শিরোপা দিয়ে রাঙাতে মরিয়া সুমাইয়া আক্তারের দল। ফাইনাল জিততে বাংলাদেশের চাই ১১৮ রান। আজ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) কুয়ালামপুরে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১১৭ রান তোলে ভারত। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন তৃষা। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন ফারজানা ইয়াসমিন। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা খারাপ হয়নি ভারতের। দুই ওপেনার কামিলনী ও তৃষা মিলে গড়েন ২৩ রানের জুটি। কামিলনীকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন ফারজানা ইয়াসমিন। ৯ বল খেললেও ৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। প্রথম উইকেটের পর দ্বিতীয় উইকেট হারাতেও সময় লাগেনি ভারতের। দলীয় ২৫ রানের মাথায় ফেরেন টপঅর্ডারের আরেক ব্যাটার সানিকা চালকে। সাজঘরে ফিরলেও রানের খাতা খেলা হয়নি তার। এই ব্যাটারকেও ফেরান ফারজানা। শুরুর চাপ সামলে নিকি প্রসাদ ও তৃষার ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত। প্রথম ১০ ওভারে তোলে ৫৪ রান। অবশেষে নিকি-তৃষা জুটি ভাঙেন হাবিবা। দলীয় ৬৬ রানের মাথায় নিকিকে ফেরান হাবিবা। আউটের আগে এই ব্যাটার করেন ২১ বলে ১২ রান। পরবর্তীতে আনসারিকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন তৃষা। অবশ্য এই জুটি বড় হতে দেননি নিশিতা আক্তার নিশি। ফেরান আনসারিকে। ১২ বলে ৫ রান করে ফেরেন এই ব্যাটার। এরপর ফেরেন ফিফটি হাঁকানো ব্যাটার তৃষা। ৪৭ বলে ৫২ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তাকেও ফেরান ফারজানা। এরপর শেষের ব্যাটাররা চেষ্টা করলেও বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি ভারত।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম